ক্ষুদার্ত চকরিয়া থানা: ফের ‘ক্যাশিয়ার’ প্রথা, কাঠের গাড়ি আটক
কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজারের চকরিয়া থানা আবারও ‘ক্যাশিয়ার’ প্রথা চালুর অভিযোগে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীরা জানান, থানার অঘোষিত ক্যাশিয়ার হিসেবে ডুলহাজারার সাবেক ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদিন প্রকাশ সোনা মিয়ার নাম উল্লেখ করে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী কাঠ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে থানার নাম ভাঙিয়ে ‘লাইনের টাকা’ আদায় করা হচ্ছে। নির্ধারিত টাকা না দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। তিনি বলেন, “সম্প্রতি ডুলহাজারা এলাকা থেকে গাছবোঝাই দুটি গাড়ি নেওয়ার সময় লাইনের টাকা না দেওয়ায় গাড়ি আটক করা হয়েছে। গাড়ি মূল সড়ক এড়িয়ে রিংভং গেইট দিয়ে নিয়ে আসার সময়ও পুলিশ গাড়ি আটক করিয়েছে।”
নজরুল আরও অভিযোগ করেন, থানার নাম ব্যবহার করে একটি চক্র কাঠ ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে মামলা দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় করছে। আইনজ্ঞরা প্রশ্ন করছেন, কোনো ফৌজদারি অপরাধ না থাকলে গাছবোঝাই গাড়ি আটক করার কি বৈধতা আছে? যদি কাঠ সংক্রান্ত কোনো আইনি বিষয় থাকে, তবে তা বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে বন আইনে মামলা করা উচিত।
স্থানীয় সূত্রের মতে, আজিজনগরের হাফিজ ও জিদ্দাবাজারের বদরমিয়া নামের কয়েকজন ব্যক্তি থানার প্রভাব খাটিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চকরিয়া থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য দেননি।