ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তার সহযোগিতায় বন কাটা সিন্ডিকেটের দুই গাড়ি আটক
নুরুল ইসলাম সুমন, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম
গাড়ি ভর্তি কাটা বন কাট সিন্ডিকেটের সদস্য আব্দুল হামিদের দখলে, বন কর্মকর্তার প্রভাব দিয়ে ব্যবসা চালু
চকরিয়া থানার পুলিশ ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ এলাকার বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে কাটা গাছ পরিবহনের অভিযোগে দুইটি গাড়ি আটক করেছে। গাড়িগুলো reportedly কাটা গাছের সিন্ডিকেটের সদস্য আব্দুল হামিদের দখলে ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ সাদেকুর রহমানের যোগসাজশে এই অবৈধ কাট ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বনভূমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জড়িত চক্রের কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চলতে সহায়তা করেছেন এবং
সিন্ডিকেটের বিভিন্ন কাজে প্রভাব বিস্তার করেছেন।
কক্সবাজারের উত্তর বন বিভাগের ফাসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সাদেকুর রহমানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি নিজেকে চট্টগ্রামের প্রধান বন সংরক্ষকের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বন বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করেন।
অভিযোগকারীরা বলছেন, ফরেস্টার ও ফরেস্ট গার্ডদের পছন্দের জায়গায় পোস্টিং দেওয়ার নামে মোটা অংকের অর্থ নেওয়া, বনভূমি দখল, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও পাহাড় কাটা কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চক্র থেকে মাসিক চুক্তির ভিত্তিতে অর্থ গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়াও, বনাঞ্চলের মূল্যবান গাছ কাটা ও বিক্রির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।
চকরিয়া থানার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, আটক গাড়ি দুটি মোঃ সাদেকুর রহমান, রেঞ্জ কর্মকর্তা, ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ-এর কাছে দেওয়া হয়েছে, এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের কল নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বর্তমানে মোঃ সাদেকুর রহমান কল রিসিভ করেননি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক গাড়ি ও গাছ কাটা ব্যবসার তথ্য চলতি তদন্তে ব্যবহার করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।