• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাবেক কাউন্সিলর নুরুল আমিনের ছেলে শওকত হোসেন রাজের মৃত্যুতে শোকের মাতম রক্তের সম্পর্কেই বিশ্বাসঘাতকতা: আর্মি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ চকরিয়ার রিংভংয়ে ইয়াবাসহ লামার মাদক ব্যবসায়ী মফিজ আটক প্রান্তিক পর্যায়ের চিকিৎসকদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মে দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম ইমারজেন্সিতে মিলছে চিকিৎসকসহ সেবা, দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ডা. জয়নাল আবেদীনের চকরিয়া সমবায় অফিসে দুর্নীতির সাম্রাজ্য: রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফের অনিয়মের অভিযোগ- বিচারাধীন মামলায় হস্তক্ষেপ, মারধর ও হুমকির অভিযোগ: পিএমখালী ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে তোলপাড়- চকরিয়ায় চিংড়ি ঘেরে চাষির মৃত্যু, ৮ জনকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আসামি করার অভিযোগ ঘুষ না দেওয়ায় পুলিশের মারধর—অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৪, চকরিয়ায় তোলপাড়

রক্তের সম্পর্কেই বিশ্বাসঘাতকতা: আর্মি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ

Reporter Name / ৫৭ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

রক্তের সম্পর্কেই বিশ্বাসঘাতকতা: আর্মি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ

 

নুরুল ইসলাম সুমন, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম

 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় নিজের জন্মদাতা মা ও বোনের করা এক বিস্ফোরক অভিযোগকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কথিত যুবলীগ নেতা ও সাবেক সেনাসদস্য মিজানুল হক চৌধুরী প্রকাশ “আর্মি মিজান”-এর বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ, জমি দখল, মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।

 

শনিবার (১৬ মে) চকরিয়া থানায় হাজির হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উপজেলার লক্ষারচর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রুস্তম আলী চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম এবং তার কন্যা সাবিনা ইয়াসমিন হ্যাপি (৪১)।

 

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত মিজানুল হক চৌধুরী সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং ২০১২ সালে অবসরে আসার পর থেকে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম, জমি দখল ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন বলে দাবি করেন অভিযোগকারীরা।

 

ভুক্তভোগী সাবিনা ইয়াসমিন হ্যাপি সাংবাদিকদের জানান, ২০০৯ সালে “কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন” নামের একটি প্রতিষ্ঠানে তার পরিবারের পেনশন, ব্যবসা ও ডিপিএস বাবদ প্রায় ৫২ লাখ টাকা জমা রাখা হয়। একই ফাউন্ডেশনে অভিযুক্ত মিজানও ৪৪ লাখ টাকা জমা রাখেন।

 

পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে গেলে ও সংশ্লিষ্টরা পলাতক অবস্থায় থাকায় তিনি তার জমা টাকার একটি অংশ ফেরত চাইলে, ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার শাহজাহান ফেরদৌস তাকে বিকল্প হিসেবে জমি দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে দাবি করা হয়।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্ত মিজানুল হক চৌধুরী পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ফাঁসিয়াখালী মৌজার ২০ শতক জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন। পরে ওই জমি প্রায় ৬০ লাখ টাকায় বিক্রি করে পুরো অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, শুধু অর্থ আত্মসাৎই নয়, এরপর থেকে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১২ মে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ির সামনে এসে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা তাদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধরের চেষ্টা চালায়।

 

এ সময় প্রতিবাদ করলে তাদের ভবিষ্যতে বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ, পথে-ঘাটে হামলা এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মনোয়ারা বেগম ও তার মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন হ্যাপি। তারা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

অভিযুক্ত মিজানুল হক চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd