• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাবেক কাউন্সিলর নুরুল আমিনের ছেলে শওকত হোসেন রাজের মৃত্যুতে শোকের মাতম রক্তের সম্পর্কেই বিশ্বাসঘাতকতা: আর্মি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ চকরিয়ার রিংভংয়ে ইয়াবাসহ লামার মাদক ব্যবসায়ী মফিজ আটক প্রান্তিক পর্যায়ের চিকিৎসকদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মে দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম ইমারজেন্সিতে মিলছে চিকিৎসকসহ সেবা, দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ডা. জয়নাল আবেদীনের চকরিয়া সমবায় অফিসে দুর্নীতির সাম্রাজ্য: রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফের অনিয়মের অভিযোগ- বিচারাধীন মামলায় হস্তক্ষেপ, মারধর ও হুমকির অভিযোগ: পিএমখালী ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে তোলপাড়- চকরিয়ায় চিংড়ি ঘেরে চাষির মৃত্যু, ৮ জনকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আসামি করার অভিযোগ ঘুষ না দেওয়ায় পুলিশের মারধর—অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৪, চকরিয়ায় তোলপাড়

বন বিভাগের জমিতে ৬ রুমের অবৈধ ভবন: অভিযোগের তীরে ডেপুটি রেঞ্জার, ‘টাকা দিয়ে ম্যানেজ’ গুঞ্জন

NI Soman / ৫১২ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

বন বিভাগের জমিতে ৬ রুমের অবৈধ ভবন: অভিযোগের তীরে ডেপুটি রেঞ্জার, ‘টাকা দিয়ে ম্যানেজ’ গুঞ্জন

 

নুরুল ইসলাম সুমন, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম

 

কক্সবাজারের হোয়াইক্যং রেঞ্জের অধীন মনখালী বিট এলাকার সংরক্ষিত বন বিভাগের জমিতে প্রকাশ্যে ৬ রুম বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, মাদার বনিয়া এলাকার বাসিন্দা জহির আহাম্মদ (পিতা: মৃত আব্দুল হাসেম) বন বিভাগের আওতাধীন জমির উপর ছয় কক্ষবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, সংরক্ষিত বনভূমিতে এই ধরনের স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ হলেও রহস্যজনক কারণে নির্মাণকাজ থামছে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনখালী বিট অফিসের অধীন ওই বনভূমিতে সম্প্রতি দ্রুতগতিতে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে। এতে করে বনভূমি দখলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

একাধিক সূত্রের দাবি, সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই নির্মাণকাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, হোয়াইক্যং রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি রেঞ্জার মো. মিনার চৌধুরী নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না। ফলে বনভূমি রক্ষায় তদারকি কার্যত দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ডেপুটি রেঞ্জার মো. মিনার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন—যেখানে বন রক্ষকদের দায়িত্ব বনভূমি রক্ষা করা, সেখানে তাদের চোখের সামনে যদি সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধ ভবন নির্মাণ চলে, তাহলে বনভূমি রক্ষা করবে কে?

এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd