বনফুল ডুলাহাজারার খাবারে মানহীনতা, ক্রেতারা অসন্তুষ্ট
বিদেশি চকলেট ও জাল পেটিস বাসি স্বাদযুক্ত, দাম-লেবেল নেই; স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
বনফুল ডুলাহাজারার খাবারের মান অনেকাংশে নিম্নমানের হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বিদেশি চকলেট এবং জাল পেটিস জাতীয় কিছু পণ্য ক্রেতাদের কাছে অস্বাস্থ্যকর ও মানহীন মনে হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, দোকানের কর্মচারীকে পণ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, “আজকের তালিকা অনুযায়ী যত পিস এসেছে, ততই বিক্রি করতে হবে।” বনফুলের নিয়ম অনুযায়ী, গাড়িতে কোন পণ্য কত পিস আছে তা খাতায় কলমে লেখা থাকে। তবে খাবারের প্যাকেটে দাম বা মেয়াদ লেখা নেই, যা ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করছে।
এক স্থানীয় ক্রেতা অভিযোগ করেন, “ক্রেতা হিসেবে আমরা মানসম্মত খাবার আশা করি। কিন্তু কখনো কখনো বাসি বা মানহীন খাবারই হাতে আসে। এতে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।”
দোকানের মালিক মোশাররফ বলেন, “আমরা নিয়ম অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করি। অভিযোগ থাকলে তা সমাধান করার চেষ্টা করা হবে। আমাদের লক্ষ্য ক্রেতাদের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করা।”
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ হাসান-আল-মারুফ, সহকারী পরিচালক, বলেন, “ক্রেতার স্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যায় না। অভিযোগ পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব। এছাড়া দোকানগুলোতে খাবারের দাম ও মেয়াদ লেবেল স্পষ্টভাবে লেখা থাকা উচিত।”
স্থানীয়দের দাবি:
খাবারের প্যাকেটে স্পষ্ট দাম ও মেয়াদ লেবেল থাকা।
বাসি বা মানহীন পণ্য বিক্রি বন্ধ করা।
ক্রেতাদের স্বার্থ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিয়ম কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা।
বিদেশি চকলেট যা সরকারের ভ্যাট বীহিন যেন না হয়
বনফুল ডুলাহাজারা বিভিন্ন পণ্যের সরবরাহ তালিকা খাতায় লিখে রাখলেও, দাম ও মেয়াদ লেবেল না থাকার কারণে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে বিদেশি চকলেট ও জাল পেটিসের ক্ষেত্রে ক্রেতারা মানহীনতার অভিযোগ করছেন।
এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ দফতর ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, দ্রুত পদক্ষেপ নিলে তাদের স্বাস্থ্য ও স্বার্থ সুরক্ষিত হবে।