• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চকরিয়া সমবায় অফিসে দুর্নীতির সাম্রাজ্য: রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফের অনিয়মের অভিযোগ- বিচারাধীন মামলায় হস্তক্ষেপ, মারধর ও হুমকির অভিযোগ: পিএমখালী ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে তোলপাড়- চকরিয়ায় চিংড়ি ঘেরে চাষির মৃত্যু, ৮ জনকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আসামি করার অভিযোগ ঘুষ না দেওয়ায় পুলিশের মারধর—অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৪, চকরিয়ায় তোলপাড় “বাসি ও মানহীন খাবারে বনফুল: ক্রেতাদের স্বার্থ উপেক্ষিত” চকরিয়ায় ২০ কোটি টাকার সড়কে অনিয়ম, প্রশ্নের মুখে প্রকৌশলীরা মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ইলিশিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ উত্তম দে’র বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ দাবি মাদক-কারবারিদের আতঙ্ক ওসি মনিরুল

চকরিয়ায় ২০ কোটি টাকার সড়কে অনিয়ম, প্রশ্নের মুখে প্রকৌশলীরা

Nurul Islam Soman / ২৫২ Time View
Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

চকরিয়ায় খুটাখালী সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, নীরব তদারকি কর্তৃপক্ষের

নুরুল ইসলাম সুমন

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী জিসি থেকে ঈদঘর জিসি পর্যন্ত আরসিসি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কোটি কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্প (SCRDP)-এর আওতায় বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের চুক্তিমূল্য প্রায় ২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। কাজ শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৬ সালের ১৬ আগস্ট।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, সড়কের বিভিন্ন অংশে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও আরসিসি ঢালাই অসম্পূর্ণ রাখা হয়েছে, আবার কিছু অংশে কাজের গুণগত মান অত্যন্ত দুর্বল। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

তাদের দাবি, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও তদারককারী কর্মকর্তাদের মাঠে উপস্থিতি খুবই কম। ফলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যত নজরদারিহীনভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রকল্পের তদারকি কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা ও উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, এলজিইডি চকরিয়ার সহকারী প্রকৌশলী ফরিদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি শুনে তড়িঘড়ি করে কল কেটে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্প ব্যবস্থাপক আশিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা জানান।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তারা দ্রুত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সরকারের বিপুল অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং টেকসই সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে জনভোগান্তি কমানো যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

bdit.com.bd