• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও আইনশৃঙ্খলা পুনর্গঠনে ছয় মাস সাবেক কাউন্সিলর নুরুল আমিনের ছেলে শওকত হোসেন রাজের মৃত্যুতে শোকের মাতম রক্তের সম্পর্কেই বিশ্বাসঘাতকতা: আর্মি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ চকরিয়ার রিংভংয়ে ইয়াবাসহ লামার মাদক ব্যবসায়ী মফিজ আটক প্রান্তিক পর্যায়ের চিকিৎসকদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মে দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম ইমারজেন্সিতে মিলছে চিকিৎসকসহ সেবা, দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ডা. জয়নাল আবেদীনের চকরিয়া সমবায় অফিসে দুর্নীতির সাম্রাজ্য: রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফের অনিয়মের অভিযোগ- বিচারাধীন মামলায় হস্তক্ষেপ, মারধর ও হুমকির অভিযোগ: পিএমখালী ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে তোলপাড়- চকরিয়ায় চিংড়ি ঘেরে চাষির মৃত্যু, ৮ জনকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আসামি করার অভিযোগ

ঈদে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা থাকবে তো? নির্দেশনা থাকলেও প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন

NI Soman / ৬১৬ Time View
Update : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

ঈদে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা থাকবে তো? নির্দেশনা থাকলেও প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন

 

নুরুল ইসলাম সুমন

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৬ দফা নির্দেশনা জারি, তবে স্থানীয়দের মধ্যে শঙ্কা—সার্বক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত হবে কি না

 

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদের ছুটিকালীন সময়েও জরুরি বিভাগ, লেবার রুম, ইমার্জেন্সি অপারেশন থিয়েটার (ওটি), ল্যাব ও এক্স-রে সেবা ২৪ ঘণ্টা চালু রাখতে হবে। একই সঙ্গে জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, পর্যাপ্ত ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী মজুত রাখা এবং অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সচল রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

 

এছাড়া, হাসপাতালের জনবল ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় করে ছুটি প্রদান, অন-কল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থা রাখা এবং হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

 

তবে বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। গত ১৫ মার্চ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আছরের সময়ই হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ ফাঁকা পড়ে আছে এবং জরুরি বিভাগে কোনো চিকিৎসকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এতে জরুরি সেবা নিতে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন এবং অনেক ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থার দিকে যেতে বাধ্য হন।

 

স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, স্বাভাবিক

সময়েই অনেক ক্ষেত্রে বিকেলের পর চিকিৎসাসেবা সীমিত হয়ে পড়ে। একাধিক বাসিন্দা জানান, “আছরের পর হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক পাওয়া যায় না। জরুরি রোগী নিয়ে আসলেও সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।”

 

সচেতন নাগরিকদের মতে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা না হলে, হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া রোগী, দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি কিংবা প্রসূতি মায়েদের জন্য পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।

 

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একাধিকবার মঠুফোনে যোগাযোগ করলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

ঈদকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নই এখন মূল প্রশ্ন। জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও দৃশ্যমান প্রস্তুতি নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd