• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও আইনশৃঙ্খলা পুনর্গঠনে ছয় মাস সাবেক কাউন্সিলর নুরুল আমিনের ছেলে শওকত হোসেন রাজের মৃত্যুতে শোকের মাতম রক্তের সম্পর্কেই বিশ্বাসঘাতকতা: আর্মি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ চকরিয়ার রিংভংয়ে ইয়াবাসহ লামার মাদক ব্যবসায়ী মফিজ আটক প্রান্তিক পর্যায়ের চিকিৎসকদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মে দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম ইমারজেন্সিতে মিলছে চিকিৎসকসহ সেবা, দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ডা. জয়নাল আবেদীনের চকরিয়া সমবায় অফিসে দুর্নীতির সাম্রাজ্য: রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফের অনিয়মের অভিযোগ- বিচারাধীন মামলায় হস্তক্ষেপ, মারধর ও হুমকির অভিযোগ: পিএমখালী ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে তোলপাড়- চকরিয়ায় চিংড়ি ঘেরে চাষির মৃত্যু, ৮ জনকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আসামি করার অভিযোগ

সুমন মৃধার অনিয়ম উন্মোচনের পরই সরানো হলো ইলিশিয়া ইনচার্জ উত্তম দে

Reporter Name / ৫৯৫ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

 

 

কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুতে দুর্নীতির অভিযোগ: ভৌতিক বিল, ঘুষ ও জালিয়াতির বিস্তর অভিযোগ

নুরুল ইসলাম সুমন

কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও গ্রাহকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভৌতিক বিল প্রদান, বিদ্যুৎ সংযোগের নামে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়, ঘনঘন মিটার পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়রানি এবং সাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধ সংযোগ দেওয়ার মতো নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ রয়েছে, এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী চক্র, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ডিজিএম (কারিগরি) আজিম উদ্দিন। তার অনুসারী হিসেবে পরিচিত লাইনম্যান সুমন মৃধা ও পিয়াস বৈদ্যের বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক গুরুতর অভিযোগ।

বদরখালী বাজারের মসলা মিল মালিক আব্বাস উদ্দিন জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে তিনি লাইনম্যান সুমন মৃধাকে মোট ৪ লাখ ৭ হাজার টাকা দিয়েছেন, যার কোনো রশিদ বা বৈধ কাগজপত্র পাননি। ঢেমুশিয়া এলাকার প্রবাসী সোহেল মিয়ার ক্ষেত্রেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার মৎস্য খামারে সংযোগ দেওয়ার নামে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার চুক্তি করে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এমনকি প্রবাসে থাকা অবস্থায় তার সাক্ষর জালিয়াতি করে সংযোগের আবেদন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ডিজিএম আজিম উদ্দিনের প্রভাব খাটিয়ে সুমন মৃধা ও পিয়াস বৈদ্য দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বদরখালী বাজারের জেনারেটর ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও নিয়মিত মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগের নামে কয়েক লাখ টাকা আদায়ের তথ্যও উঠে এসেছে।

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রথমে সুমন মৃধাকে ইলিশিয়া অভিযোগ কেন্দ্র থেকে সরিয়ে চকরিয়া জোনাল অফিসে সংযুক্ত করা হয়। পরে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে রামুতে বদলি করা হয়।

এদিকে, ইলিশিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ উত্তম দে তার অধীনস্থ লাইনম্যানদের অনিয়ম উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নেয়। অভিযোগ ওঠে, এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ডিজিএম আজিম উদ্দিনের সুপারিশে তাকে ইলিশিয়া থেকে সরিয়ে কক্সবাজার সদরের প্রশাসন বিভাগে সংযুক্ত করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, গত ২৪ মার্চ সন্ধ্যায় সুমন মৃধা ও পিয়াস বৈদ্য তাদের দায়িত্ব পালন না করে ১০-১৫ জন কর্মচারী নিয়ে জিএমের কার্যালয়ে জটলা সৃষ্টি করেন এবং উত্তম দেকে অপসারণে চাপ প্রয়োগ করেন। বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট সূত্র।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুমন মৃধা ও পিয়াস বৈদ্য। তাদের দাবি, তারা ওই সময় অফিসে উপস্থিত থাকলেও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা মব সৃষ্টির ঘটনা ঘটেনি।

ডিজিএম (কারিগরি) আজিম উদ্দিন বলেন, তার ১১ বছরের চাকরি জীবনে তিনি কখনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কক্সবাজারের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মকবুল আলমের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd